থাইরয়েডের সমস্যা হলে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন দেখুন
থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। থাইরয়েডের সমস্যায় সুস্থ থাকতে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন তা জানা জরুরি। থাইরয়েড রোগীদের জন্য ক্ষতিকর বা সীমিত করা প্রয়োজন এমন খাবার খাওয়া সঠিক নিয়ম।
নিজের থাইরয়েড এর ধরন অনুযায়ী খাবার বাছাই করে কিভাবে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করবেন এই সকল বিষয়বস্তু নিয়ে আজকের এই আলোচনা করা হয়েছে।
সূচিপত্র: থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
- থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
- থাইরয়েড কি?
- থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়
- থাইরয়েড কমানোর ঘরোয়া উপায়
- থাইরয়েড কমানোর ব্যায়াম
- ঔষধ ছাড়া থাইরয়েড কমানোর উপায়
- শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায়
- থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত নয়
- থাইরয়েড হলে কি কি সবজি খাওয়া উচিত
- থাইরয়েড কি খেলে ভালো হয়
- শেষ কথা: থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। থাইরয়েডের সমস্যা ধরা
পড়লে শুধু ওষুধ খেলেই হবে না। প্রতিদিনের খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। তবে সবার
জন্য একই খাবার পুরোপুরি বন্ধ করা নিয়ম নাই। আপনার থাইরয়েডের ধরন ওষুধ ও
শারীরিক অবস্থার ওপর খাবারের তালিকা কিছুটা বদলাতে পারে।
বিশেষ করে অতিরিক্ত সয়া জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার, বেশি চিনি ও
ফাস্টফুড, ইত্যাদি এসব স্নেহ জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কাঁচা
অবস্থায় অতিরিক্ত বাঁধাকপি, ফুলকপি, বা ব্রকলি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও পরিমাণের
দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার বা সাপ্লিমেন্ট
নিজের ইচ্ছায় নেওয়া যাবে না।
একটি বিষয় মনে রাখবেন থাইরয়েডের ওষুধ খেলে খাবারের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ
করে লেভোথাইরক্সিন খাওয়ার খুব কাছাকাছি সময়ে কিছু খাবার বা সাপ্লিমেন্ট নিলে
ওষুধের শোষণে প্রভাব পড়তে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ও খাবারের
সময় ঠিক করাই সবচেয়ে নিরাপদ হবে।
থাইরয়েড কি?
থাইরয়েড কি? থাইরয়েড হলো গলার সামনের দিকে থাকা ছোট একটি প্রজাপতির মতো আকৃতির
গ্রন্থি। দেখতে ছোট হলেও শরীরের জন্য এর কাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এমন কিছু ধর্ম
তৈরি করে যা শরীরের বিপাকক্রিয়া,শক্তি, হৃদস্পন্দন, শরীরের তাপমাত্রা ও বিভিন্ন
অঙ্গের স্বাভাবিক কাজকে প্রভাবিত করে।
এই গ্রন্থি প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি হরমোন তৈরি করলে থাইরয়েডের সমস্যা
দেখা দিতে পারে। হাইপোথাইরডিজমে হরমোন কম তৈরি হয়, আবার হাইপার থাইরয়েডেডিজমে
হরমোন বেশি তৈরি করে। ফলে ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, অতিরিক্ত ঘাম, হৃদস্পন্দন,
ইত্যাদি বেড়ে যাওয়া বা ঠান্ডা বেশি লাগার মত বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে
পারে।
তাই থাইরয়েডের কোন লক্ষণ থাকলে শুধু খাওয়ার পরিবর্তন না করে প্রয়োজন অনুযায়ী
চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে হবে।
থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়
থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়। থাইরয়েডের সমস্যা হলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য
বদলে যায়। তাই একজনের ক্ষেত্রে ওজন বাড়তে পারে আবার অন্যজনের ওজন কমে যেতে
পারে। সব সময় দুর্বল বা ক্লান্তি লাগা কাজে মনোযোগ কমে যাওয়া ঠান্ডা বা গরম
বেশি অনুভব করা এবং ঘুমের সমস্যা হও দেখা দিতে পারে।
থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে সাধারণত ওজন বেড়ে যাই। কোষ্ঠকাঠিন্য, ত্বক শুষ্ক হওয়া,
চুল পড়া, মুখ বা শরীর ভুলে যাওয়া,থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির মত সমস্যা হতে পারে।
নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত বা বেশি রক্তপাতও হতে পারে।
অন্যদিকে থাইরয়েড হরমোন বেশি হলে হাইপার থাইরয়েডিজম দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, বুক
ধরফর করা, অতিরিক্ত ঘাম, হাত কাঁপা, অস্থিরতা, ঘুম কম হওয়া, এবং গরম সহ্য করতে
না পারার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এসব সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ
নিয়ে থাইরয়েড পরীক্ষা করতে হবে।
থাইরয়েড কমানোর ঘরোয়া উপায়
থাইরয়েড কমানোর ঘরোয়া উপায়। সঠিক খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন চিকিৎসার
পাশাপাশি শরীর ভালো রাখার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন খাবার খাবেন বা কোন খাবার
খাবেন না তা থাইরয়েড কম নাকি বেশি কাজ করছে তার ওপর নির্ভর করে।
প্রথমেই নিজের ইচ্ছায় থাইরয়েডের ওষুধ বন্ধ বা ডোজ পরিবর্তন করা উচিত না।
নিয়মিত ওষুধ খাওয়া পর্যাপ্ত ঘুম প্রতিদিন হালকা প্যান এবং পুষ্টিকর খাবার
খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অতিরিক্ত চিনি ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত
খাবার খাওয়া যাবে না।
আর একটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ আয়োডিন হারবাল বা কোন ঘরোয়া উপাদান বেশি
পরিমাণে খেয়ে থাইরয়েড কমানোর চেষ্টা করবেন না। এতে উল্টো সমস্যা বাড়তে পারে।
থাইরয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী টি এস এইচ ও অন্য পরীক্ষা
করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয় সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হবে।
থাইরয়েড কমানোর ব্যায়াম
থাইরয়েডের হরমোন সরাসরি কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কোন ব্যায়াম নেই। কিন্তু নিয়মিত
শরীর চর্চা ওজন নিয়ন্ত্রণ শক্তি বাড়ানো এবং ক্লান্তিক কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষ করে থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে
ব্যায়াম শুরু করা ভালো।
থাইরয়েড কমানোর ব্যায়াম:
- প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটাহাঁটি করা
- সহজ স্ট্রেচিং ও শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম
- শরীরের সব ক্ষমতা অনুযায়ী ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সাইকেল চালানো
- সপ্তাহে দুই দিন হালকা শক্তি বর্ধক ব্যায়াম
- তোমার শরীরের জড়তা ও পেশির টান কমাতে ট্রেচিং করা
কিন্তু হাইপার থাইরয়েডিজমে বুক ধরফর, মাথা ঘোরা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকলে
ধারিবেন করবেন না। ব্যাঙের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াই
থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণের মূল বিষয়
ঔষধ ছাড়া থাইরয়েড কমানোর উপায়
ঔষধ ছাড়া থাইরয়েড কমানোর উপায়। থাইরয়েডের সমস্যা হলে শুধু ঘরোয়া উপায়ে
হরমোনের মাত্রা কমানোর সব সময় সম্ভব হয় না। তাই প্রথমে কোন ধরনের থাইরয়েড
সমস্যা হয়েছে তা পরীক্ষা করে জানা জরুরী। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত
হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যাঙ এবং পর্যাপ্ত ঘুম শরীরকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।
খাবারের ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত অতিরিক্ত
ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চিনি ও প্যাকেটজাত খাবার কমিয়ে শাকসবজি, ডাল,
মাছ, ডিম, ফল ও পরিমিত পরিমাণে ভাত বা রুটি খেতে হবে। নিজের ইচ্ছায় বেশি আয়োডিন
আয়োডিনযুক্ত সাপ্লিমেন্ট বা বিভিন্ন হারবাল উপাদান খেয়ে থাইরয়েড কমানোর চেষ্টা
করবেন না। এতে উল্টো সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডাক্তারের দেওয়া থাইরয়েডের ওষুধ নিজে থেকে বন্ধ
করা বা ডোজ কমানো যাবে না। নিয়মিত টিএস এইচ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষা করে
ফলাফল অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে। বিশেষ করে বুক ধরফর দ্রুত ওজন কমা দ্রুত
দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্টের মধ্যে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে
হবে।
শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায়
শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায়। হাইপোথাইরয়েডিজমে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত হরমোন
তৈরি করতে পারে না। ফলে ওজন বেড়ে যাওয়া সব সময় ক্লান্তি লাগা ঠান্ডা বেশি লাগা
কষ্টকাঠিন্য ত্বক শুষ্ক হওয়া ও চুল পড়ার মতো সমস্যা হয়ে থাকে। শুধু ঘরোয়া
উপায়ে এই হরমোনের ঘাটতি পূরণ করা যায় না।
স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত হাঁটাহাঁটি পর্যাপ্ত ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করলে শরীর
ভালো থাকে। কিন্তু থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত নিজের
ইচ্ছাই বেশি আয়োডিন হারবালযুক্ত ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাবেন না। এগুলো থাইরয়েড
ঠিক করার বদলে কখনো সমস্যা বাড়ি দিতে পারে।
হাইপো থাইরয়েডিজমে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেভোথাইরক্সিন প্রয়োজন
হয়। তাই পি এস এইচ ও প্রয়োজনে পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে
নিরাপদ উপায়। ওষুধ শুরু করার পর নিজে থেকে বন্ধ বা ডোজ পরিবর্তন করবেন না।
থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত নয়
থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত না। থাইরয়েড হলেই সব ফল বাদ দিতে হবে এমন কোন
নিয়ম নাই। বরং বেশিরভাগ ফল পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। তবে হাইপোথাইরয়েড বা
হাইপার থাইরয়েড কোনটি হয়েছে সেটার উপর খাদ্য কিছুটা নির্ভর করে।
বিশেষ করে থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত আয়োডিনের মাত্রা
নিয়ে সমস্যা থাকলে শরীরের ইচ্ছায় কোন ফল বা খাবার পুরোপুরি বা দেওয়া যাবে না।
ফলের মধ্যে সাধারণ এমন কোন নির্দিষ্ট তালিকা নাই যেগুলো থাইরয়েড রোগীদের সবার
জন্য নিষিদ্ধ। তবে অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনিযুক্ত ফলের জুস নিয়মিত খাওয়া যাবেনা
বরং আস্ত ফল খাওয়াই ভালো।
থাইরয়েডের ওষুধ খেলে ওষুধের সময়ের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে ওষুধ
খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবার বা সাপ্লিমেন্ট না নিয়ে চিকিৎসকের নির্দেশিত সময়
মেনে চলবেন। থাইরয়েডের ধরন ও পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী কোন খাবার আপনার জন্য
উপযুক্ত তার চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শে ঠিক করে জানা সবচেয়ে ভালো
উপায়।
থাইরয়েড হলে কি কি সবজি খাওয়া উচিত
থাইরয়েড হলে কি কি সবজি খাওয়া উচিত। থাইরয়েড থাকলেই সবজি খাওয়া যাবেনা এই
কথাটি ভুল। বরং প্রতিদিনের খাবারে সবজি থাকতেই হবে যেমন: লাউ ,পটল, ঝিঙে, ঢেঁড়স
,গাজর, শসা ,টমেটো ও অন্যান্য শাকসবজি পরিমিতভাবে খাওয়া ভালো। এগুলো শরীরকে
প্রয়োজনীয় ভিটামিন খনিজ ও ফাইবার দিতে সাহায্য করে এবং খাবারকে পুষ্টিকর করে
তোলে।
তবে বাঁধাকপি ফুলকপি ব্রকলি ও সরিষা শাক এর মত সবজি নিয়ে অনেকের মনে হয়ে থাকে।
এগুলো সাধারণ পরিমাণে এবং রান্না করে খেলে বেশিরভাগ মানুষের জন্য সমস্যা হয় না।
বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েড থাকলে এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার কোন প্রয়োজন
নেই।
আরও পড়ুন: প্রতিদিন জানা প্রয়োজন এমন কিছু ইসলামিক তথ্য
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার টি এস এইচ ও থাইরয়েড এর ধরন অনুযায়ী
খাবার বেছে নিতে হবে। অতিরিক্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার বা সাবলি পেমেন্ট নিজের
ইচ্ছায় শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুজন খাবার পর্যাপ্ত পানি ও নিয়মিত
শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াই থাইরয়েডের নিয়ন্ত্রণের
সবচেয়ে ভালো উপায়।
থাইরয়েড কি খেলে ভালো হয়
থাইরয়েড কি খেলে ভালো হয়। থাইরয়েডের সমস্যা হলে এমন কোন একক খাবার নেই যা
খেলেই থাইরয়েড ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু মাছ ডিম দুধ বা দই ডাল শাকসবজি ফল এবং
পরিমাণে ভাত বা রুটি দিয়ে সুষম খাবার তৈরি করা শরীরের জন্য উপকারী। আয়োডি ন
থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে প্রয়োজনীয় হলেও অতিরিক্ত আয়োডিনো ক্ষতিকর হতে
পারে।
হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি ফেলেনিয়াম ও জিংক সমৃদ্ধ
খাবার যেমন ডিম মাছ ডাল বাদাম ও বী জ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। তবে এগুলো
থাইরয়েডের ওষুধের বিকল্প না। কোন নির্দিষ্ট খাবার বেশি খেলেই হরমোনের সমস্যা ঠিক
হয়ে যাবে এই ধারণাটি ভুল।
আপনার টি এস এইচ ও অন্যান্য প্রয়োজনে পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী খাবার ও চিকিৎসা
ঠিক করা প্রয়োজন। থাইরয়েডের ওষুধ চললে নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করবেন না এবং আয়োডিন
বা কোন সাপ্লিমেন্টও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুরু করবেন না।
শেষ কথা: থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। অতিরিক্ত ফাস্টফুড
প্যাকেটজাত খাবার বেশি চিনি যুক্ত খাবার অতিরিক্ত লবণ এবং অপ্রয়োজনীয়
সাপ্লিমেন্ট যতটা সম্ভব কমাতে হবে। বাঁধাকপি ফুলকপি বা ব্রকলির মতো সব্য সা
সাধারণত পরিমাণে খাওয়া যাবে। এগুলো অযথা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল থাইরয়েড এর ধরন অনুযায়ী খাবার বেছে নেবেন বিশেষ করে
নিজের ইচ্ছায় বেশি আয়োডিন যুক্ত সাপ্লিমেন্ট বা হারবাল উপাদান খাবেন না। এগুলো
কখনো থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে পারেনা বরঞ্চ আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।
আশা করছি থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন তা বুঝতে পেরেছেন।
থাইরয়েডের সমস্যায় কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন এবং থাইরয়েড এর বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে আপনার কোন কৌতুহল বা কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি কমেন্টে জানাতে পারেন অথবা
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। উপরে দেওয়া নিয়মগুলো মেনে চললে থাইরয়েড এর
সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। আপনার এই পোস্ট পড়ে যদি ভালো লাগে অথবা আপনি উপকৃত হন
তাহলে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং এমন আরো বিভিন্ন পোস্ট দেখতে
আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার এই পোস্ট করার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



উপকারী আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url