ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

  ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার। রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও অনেকের সহজে ঘুম আসে না। আবার কেউ ঘুমালেও বারবার জেগে উঠেন। দিনের ব্যস্ততা দুশ্চিন্তা অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার এবং অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস এর জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ঘুম ঠিকমতো না হলে সারাদিন শরীরের ঘাড়ে লাগা মনোযোগ কমে যাওয়া ও বিরক্ত ভাব দেখা দেয়। 

ঘুম-কম-হওয়ার-কারণ-ও-প্রতিকার

এই আর্টিকেলে ঘুম কম হওয়ার সম্ভাব্য কারণ ও ঘুম ভালো করার সহজ কিছু উপায় খুব সহজেই তুলে ধরা হয়েছে।

সূচিপত্র: ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার 

ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার। ঘুম কম হওয়ার অন্যতম কারণ হলো মানসিক চাপ, অতিরিক্ত চিন্তা, রাতে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার এবং প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। চা কফি বেশি খাওয়া, রাত জেগে কাজ করা এবং দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমালেও রাতে ঘুমের সমস্যা হয়। আবার নাক ডাকা ,শ্বাসকষ্ট বা কিছু শারীরিক সমস্যার কারণেও ঘুম বার বার ভেঙ্গে যায়।

ভালো ঘুমের জন্য প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জেগেও ওঠার অভ্যাস করতে হবে। ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে মোবাইল ও অন্যান্য স্ক্রিন থেকে দূরে থাকবেন। রাতে ভারী খাবার ও অতিরিক্ত চা কফি খাবেন না। এবং ঘরটি শান্ত ও অন্ধকার এবং আরামদায়ক রাখবেন। দিনের বেলা নিয়মিত হাটাহাটি বা হালকা ব্যায়াম করলেও রাতে ঘুম সহজ হয়। 
ঘুম কম হওয়ার সমস্যা কয়েকদিনের বদলে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না। পর্যাপ্ত সময় বিছানায় থাকার পরও যদি ঘুম না আসে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যায় বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম পায় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। কারণ দীর্ঘজীতে ঘুমের সমস্যার পেছনে অন্য কোন শারীরিক বা মানসিক কারণ থাকতে পারে। 

ঘুম না আসার কারন কি

ঘুম না আসার কারণ কি। ঘুম না আসা সবচেয়ে সাধারণ কারণ গুলোর মধ্যে অতিরিক্ত চিন্তা মানসিক চাপ দুশ্চিন্তা এবং অনিয়মিত জীবন যাপন করা। রাতে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার প্রতিদিন দেরিতে ঘুমানো এবং দিনের বেলা বেশি সময় ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়। এছাড়া সন্ধ্যার পর বেশি চা-কফি খাওয়া বা রাতে ভারী খাবার খাও ঘুমের বাধা আসে। 

শরীরে কোন অস্বস্তি থাকলেও ঘুম নষ্ট হয়। যেমন: এসিডিটি, ব্যথা, নাক ডাকা, বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস নিতে সমস্যা, অতিরিক্ত প্রসাবের চাপ কিংবা কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণেও ঘুম আসে না। ঘুমের পরিবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ বেশি আলো শব্দ গরম বা অসুস্থিকর বিছানার কারণে অনেক সময় শরীর বিশ্রাম নিতে চাইলেও সহজে ঘুম আসে না। 

মাঝেমধ্যে ঘুম না আসার সাধারণ বিষয় হলেও সমস্যা যদি নিয়মিত হয় তাহলে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে পর্যাপ্ত সময় বিছানায় থাকার পরও ঘুম না আসলে বারবার ঘুম ভেঙ্গে গেলে বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ক্লান্তি ও মনোযোগের সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। 

ঘুম কম হলে কি ক্ষতি হয় 

ঘুম কম হলে কি ক্ষতি হয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম না হলে প্রথমে শরীর ও মনের ওপর এর প্রভাব পড়ে। সকালে ঘুম ঘুম ভাব, সারাদিন ক্লান্তি, মাথা ভাল লাগ, কাজে মনোযোগ দিতে না পারা, এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল মনে হওয়া এসব সমস্যার দেখা দেয়। অনেকের আবার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং ছোট বিষয় বিরক্তি বা অস্থিরতা বেড়ে যায়। 

দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটে থাকলে বিষয়টি আরো গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হরমোনের ভারসাম্য ও বিপাক ক্রিয়া সঙ্গে জড়িত। তাই দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের অভ্যাসগত ঘাটতি ওজন বাড়ালে রক্ত সহকারে নিয়ন্ত্রণ সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপ সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। প্রজেক্টর ঘুম না হলে কর্মক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া ক্ষমতাও কমে যায়। 

তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাবেন। রাতে মোবাইল ও অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন এবং ঘুমানোর আগে যা কফি এড়িয়ে চলবেন। প্রাপ্ত বয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। পর্যন্ত সময় ঘুমানোর পরও যদি সব সময় ক্লান্তি লাগে বা দীর্ঘদিন ঘুমের সমস্যা চলতেই থাকে তাহলে আমার দেওয়া পরামর্শ মেনে চলতে পারেন।

কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুম কম হয় 

কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুম কম হয়। কিছু ভিটামিন ও খনিজের ঘাটের সঙ্গে ঘুমের সমস্যা বা ঘুমের মান খারাপ হওয়ার সম্পর্ক থাকে। বিশেষ করে ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২ কম থাকলে কিছু মানুষের ঘুমের সমস্যা ক্লান্তি বা দিনের বেলা অবসাদ দেখা দেয়। তবে শুধু ভিটামিনের খাট থেকেই ঘুম কম হওয়ার একমাত্র কারণ বলা যায় না। 

এছাড়া ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি শরীরে অস্বস্তি বা পায়ে অস্বাভাবিক অনুভূতি তৈরি করে ঘুম বাধা দেয়। বিশেষ করে রাতে পায়ে টান ঝিমঝিম বা নড়াচড়া করার প্রবল ইচ্ছা থাকলে আয়রনের খাটটির বিষয়টি চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করবেন। তাই নিজের ইচ্ছাই ভিটামিন বা মিনারেল সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে প্রয়োজন রক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয় ভালো হবে। 
ঘুমের সমস্যা থাকলে পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত ঘুমের সময় এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের দিকে নজর দিবেন। ডিম মাছ দুধ ডাল শাকসবজি বাদাম ও বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার প্রতিদিন খাবেন। দীর্ঘদিন ধরে ঘুম কম হলে শুধু ভিটামিন খাওয়ার বদলে সমস্যার আসল কারণ খুঁজে বের করাই গুরুত্বপূর্ণ। 

রাতে ঘুম না আসার রোগের নাম

রাতে ঘুমাও না আসার রোগের নাম। রাতে নিয়মিত ঘুম না আসার সমস্যা কে সাধারণত ভাবে অনিদ্রা বলা হয়। এ অবস্থায় ঘুমাতে যেতে অনেক সময় লাগে রাতে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর আর ঘুম আসে না। ১২ রাত ঘুম কম হওয়া মানেই অনেক রাত রোগ হয়েছে ঠিক তা না। 

অনিদ্রা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। মানসিক চাপ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস রাতে বেশি মোবাইল ব্যবহার চা-কফি খাওয়া কিছু ওষুধ বা শারীরিক সমস্যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই শুধু ঘুমের ওষুধ খাওয়ার বদলে সমস্যার কারণ খুঁজে বের করাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা থাকে এবং এর কারণে দিনের কাজ মনোযোগ বা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। কারণ দীর্ঘস্থায়ী অনিদ্রার ক্ষেত্রে কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা ও ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন দুটি প্রয়োজন হয়। 

ঘুম না আসলে করনীয় কি

ঘুম না আসলে করণীয় কি। দাঁতের বিছানায় যাওয়ার পর ঘুম না এলে জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা না করে কিছুক্ষণ শান্তভাবে শুয়ে থাকুন। মোবাইল টিভি বা কম্পিউটারের স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন এবং ঘরের আলো কমিয়ে দিন। ধীরে ধীরে গভীর হালকা বই পড়ার অভ্যাস ঘুম আসতে সাহায্য করে। আবার ক্ষুধা না থাকলে রাতে ভারী খাবার খাবেন না।
ঘুম-কম-হওয়ার-কারণ-ও-প্রতিকার

প্রতিদিন একই সময় ঘুমানোর চেষ্টা করবেন ও সকালে একই সময় ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলবেন। দিনের বেলা নিয়মিত হাটা হালকা ব্যায়াম করতে পারেন তবে ঘুমের সঠিক আগে ব্যায়াম না করাই ভালো। বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা কফি এনার্জি ড্রিঙ্ক এবং অতিরিক্ত নিকোটিন থেকে এড়িয়ে চলবেন। দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতের ঘুম সমস্যা হতে পারে তাই প্রয়োজনে দুপুরের ঘুম কমানোই ভালো। 

মাঝে মাঝে ঘুম না আসা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার কোন প্রয়োজন নাই। তবে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘুমের সমস্যা চলতে থাকলে দিনের কাজকর্মে সমস্যা হলে বা রাতে না টাকা ও শ্বাস বন্ধ হয়ে আসার মত সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। ঘুমের ওষুধ নিজে থেকে না খেয়ে সমস্যার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়াই নিরাপদ। 

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘুম আসার উপায় 

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘুম আসার উপায়। রাতে সহজে ঘুম আসার জন্য প্রথমে ঘুমের পরিবেশটা আরামদায়ক করুন। প্রতিদিন একই সময়ের বিছানায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং ঘুমানোর অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগেই মোবাইল টিভি ও কম্পিউটার থেকে দূরে থাকবেন। ঘর অন্ধকার প্রশান্ত এবং কিছুটা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করবেন এতে শরীর ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত হতে পারে। ঘুমানোর আগে ধীরে ধীরে কোভিদ শ্বাস নিবেন বা হালকা বই পড়বেন এতে মন শান্ত করতে সাহায্য করবে। 

দিনের বেলা নিয়মিত হাটা বা হালকা ব্যায়াম করবেন এবং সকালে কিছু সময় প্রাকৃতিক আলোতে থাকার চেষ্টা করবেন। বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা কফি ও এনার্জি কি কমিয়ে দিবেন । রাতে অতিরিক্ত ভারী খাবার না খেয়ে হালকা খাবার খাবেন দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় তাই দুপুরে ঘুমালে তা অল্প সময়ের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন। 
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঘুম নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না এবং প্রতিদিন একই ধরনের স্বাস্থ্যকর রুটিন ধরে চলাফেরা করবেন। মাঝে মাঝে ঘুম না আসার স্বাভাবিক হলেও সমস্যা যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে শুধু ঘরোয়া উপায় এর ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন । বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা অতিরিক্ত লোক টাকা বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসার মত লক্ষণ থাকলে কারণ কি পরীক্ষা করা জরুরী। 

১ মিনিটে ঘুম আসার উপায় 

১ মিনিটে ঘুম আসার উপায়, রাতে বিছানায় শুয়ে অনেকক্ষণ এপাশ ওপাশ করেও ঘুম আসছে না এমন হলে প্রথমেই মোবাইলটা রেখে ঘরের আলো একটু দিন। এবার চোখ বন্ধ করে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন। নেওয়া ও ছাড়ার দিকে মনোযোগ রাখবেন। একই সাথে শরীরের প্রতিটি অংশ ধীরে ধীরে ঠেলে করে দিবেন। পা থেকে শুরু করে মুখের পিসি পর্যন্ত। এতে শরীর ও মন দুটোই ধীরে ধীরে শান্ত হতে শুরু করবে। 
১-মিনিটে-ঘুম-আসার-উপায়

আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন, ঘুমানোর সময় আগামী দিনের কাজ টাকা-পয়সা বা কোন দুশ্চিন্তার কথা বারবার ভাববেন না। চিন্তা চলে এলে সেটাকে জোর করে থামানোর চেষ্টা না করে আবার শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মন দিবেন, ঘুমানোর আগে ফেসবুক ইউটিউব বা অন্য কোন স্ক্রিন দেখে মস্তিষ্ক আরো সংক্রিয় হয়ে যেতে পারে। তাই অন্তত কিছু সময় স্ক্রিন থেকে দূরে থাকবেন। সন্ধ্যার পর চা কফি বেশি খাওয়ার উপযুক্ত থাকলে তা কমিয়ে দেবেন। 

কারো দ্রুত ঘুম চলে আসে আবার কারো একটু বেশি সময় লাগে এটা স্বাভাবিক। আপনি যদি প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান সকালে নির্দিষ্ট সময় ওঠেন এবং রাতে শান্ত পরিবেশে থাকার অভ্যাস করেন তাহলে ধীরে ধীরে ঘুমের রুটিন ঠিক হতে পারে। মাঝে মাঝে ঘুম আস্তে দেরি হলে চিন্তা করবেন না কিন্তু নিয়মিত এমন হলে সমস্যাটি গুরুতর হতে পারে। 

ঘুম বৃদ্ধির খাবার

ভালো ঘুমের জন্য খাবারের ভূমিকা আছে কিন্তু কোন একটি খাবার খেলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুম চলে আসবে এমনটা না। রাতে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াই ভালো। দুই দুধ ডিম কলা বাদাম মাছ এবং বিভিন্ন শাকসবজি খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। এসব খাবারে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান থাকে যার শরীরের স্বাভাবিক ঘুম ও বিশ্রামের প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। 

বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত ভারী ঝাল বা তেলযুক্ত খাবার খেলে অস্বস্তি ও এসিডিটি হয়ে ঘুম ব্যাঘাত করতে পারে। একইভাবে সন্ধ্যার পর চা কফি এনার্জি ড্রিঙ্ক ও অতিরিক্ত চকলেট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। ঘুমানোর আগে অনেক বেশি খাবার না খেয়ে প্রয়োজনে হালকা খাবার খাবেন। 
নিয়মিত ঘুমের সময় পর্যাপ্ত দিনের আলো শারীরিক পরিশ্রম এবং রাতে স্ক্রিন ব্যবহার কমানোর অভ্যাস ও জরুরী। দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা থাকলে খাবার পরিবর্তনের পাশাপাশি সমস্যার কারণ খুঁজে বের করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয় ভালো। 

শেষ কথা: ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার 

ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার, ঘুম কম হওয়াকে শুধু রাত জাগার অভ্যাস মনে করে এড়িয়ে যাবেন না। মানসিক চাপ অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার অনিয়মিত জীবনযাপন চা-কফি বা কোন শারীরিক সমস্যার কারণে ঘুম কম হতে পারে। তাই নিজের দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো খেয়াল করে ঘুমের জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করবেন। 

ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার এ বিষয়টি আশা করি বুঝতে পেরেছেন এবং ১ মিনিটে ঘুম আসার উপায় এই বিষয়টিও আপনি বুঝতে পেরেছেন। যদি কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় বা কোন কিছু জানার থাকে তাহলে আপনি কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এই পোস্ট ভালো লেগে থাকলে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার এই পোস্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

উপকারী আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

MD Masrafi
MD Masrafi
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও উপকারী আইটির ওনার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছর অভিজ্ঞতায় তিনি অনন্যদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।