খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায় জেনে নিন
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়। খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি হলে গলা খুসখুস করা বারবার কাশি আসা এবং রাতে ঘুমের সমস্যা হওয়াটা বেশ কষ্টকর। তাই এই আর্টিকেলে খুসখুসে ও শুকনো কাশি হওয়ার সাধারণ কারণ, ঘরোয়া উপায়ে কাশি কমানো সহজ কৌশল, বুকে কফ জমলে কি করবেন এবং কাশি ও কফের জন্য ওষুধ ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
পাশাপাশি অতিরিক্ত কাশি বা দীর্ঘদিনের হাসির ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখা দরকার সেটিও সহজ ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সূচিপত্র: খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
- খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
- অতিরিক্ত কাশি কিসের লক্ষণ
- অতিরিক্ত কাশি কমানোর ঘরোয়া উপায়
- শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
- শুকনো কাশি থেকে মুক্তির ঔষধ
- বুকে কফ জমলে কি কি সমস্যা হয়
- ঘন ঘন কফ আসার কারণ কি
- বুকের কফ বের করার ঘরোয়া উপায়
- কাশি ও কফ দূর করার ওষুধ
- শেষ কথা: খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়, খুসখুসে কাশি অনেক সময় খুব বেশি ত্রিপল
না হলেও সারাদিন গলা বিরক্ত করে। কথা বলতে বা ঘুমাতে সমস্যা তৈরি করে। সাধারণত
গলা শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ধুলাবালি, ধোয়া, ঠান্ডা বাতাস, এলার্জি বা সর্দি অথবা
জ্বরের পর এমন কাশি হয়। তাই কাশি হলেই শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে আগে এর
সম্ভাব্য কারণ জানা জরুরী।
প্রথমেই পর্যাপ্ত পানি পান করবেন। অল্প অল্প করে কুসুম গরম পানি পান করলে গলা
আদ্রতা থাকে এবং শুষ্কতার কারণে হওয়া কাশি কিছুটা কমে যায়। চাইলে কুসুম গরম
পানিতে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে আরো উপকার হবে মধু আমাদের জন্য অনেক উপকারী। মধু
কাশি কমাতে অনেক সাহায্য করে। কিন্তু এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খাওয়ানো যাবে
না।
ঘরের বাতাস খুব শুষ্ক হলে আদ্রতা বজায় রাখার চেষ্টা করবেন এবং ধুলাবালি,
সিগারেটের ধোঁয়া, আগরবাতি বা ত্রি পশুন্দি থেকে দূরে থাকবেন। এগুলো কলার জালা
বাড়িয়ে খুসখুসে কাশি আরো দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। বাইরে গেলে ধুলাবালি বেশি
থাকলে মাস্ক ব্যবহার করবেন। রাতে কাশি বেশি হলে মাথা একটু উঁচু করে ঘুমানোর
চেষ্টা করবেন। নাক বন্ধ বা সর্দির কারণে গলার পেছনে শ্লেষ্মা জমি কাজী হলে সেটিও
কিছুটা আড়ং দিবে। এখন সাথে খুব ঠান্ডা পানীয় বা এমন খাবার খাবেন না যেগুলো খেলে
আপনার ব্যক্তিগতভাবে কাশি বেড়ে যায়।
অতিরিক্ত কাশি কিসের লক্ষণ
অতিরিক্ত কাশি কিসের লক্ষণ, অতিরিক্ত কাশী শুধু সাধারণ গলা খুসখুসের কারণে হয়
না, বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। সর্দি জ্বর বা ভাইরাস জনিত সংক্রমণের পর
কিছুদিন কাছে থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কাশি যদি বারবার হয় দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা
রাতে বেশি বারে তাহলে অ্যালার্জি হাপানে নাকের শক্তি গলার পেছনে নামা কিংবা এসিড
রিফ্লাক্সের মতো কারণও থাকতে পারে।
কাশির সাথে শ্বাসকষ্ট ,বুক ব্যথা, উচ্চচর শ্বাস নেওয়ার সময় বাসির মতো শব্দ
,অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করলে চলবে
না। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী কাশির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরী কারণ
কখনো কখনো ফুসফুসের সংক্রমণ বা অন্য কোন শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে
পারে।
তাই শুধু কাশি বন্ধ করার চেষ্টা না করে কাশি কতদিন ধরে হচ্ছে শুকনো কাশি কফ সহ
রাতে বাড়ে কিনা এবং অন্য কোন উপসর্গ আছে কিনা এসব বিষয় খেয়াল করবেন। এতে কাশির
সম্ভাব্য কারণ বুঝতে এবং প্রয়োজনে সঠিক চিকিৎসা নিতে সুবিধা হবে।
অতিরিক্ত কাশি কমানোর ঘরোয়া উপায়
অতিরিক্ত কাশি কমানোর ঘরোয়া উপায়, অতিরিক্ত কাশি হলে প্রথমে কলা ও শরীরকে
আদ্রতা রাখা দরকার। অল্প অল্প করে কুসুম গরম পানি খেলে গলার শুষ্কতা ও জ্বালা ভাব
কমবে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে মধু গলার অস্বস্তি ও কাশি কমাতে অনেকটাই সাহায্য
করে। অতিরিক্ত কমানোর আরেকটি উপায় হচ্ছে তুলসী পাতা রস যা কাশি কমাতে সাহায্য
করে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরী করান শরীরকে সুস্থ হতে সময় দিলে কাশি ধীরে
ধীরে ভালো হবে।
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়, কাশি বাড়িয়ে দেয় এমন পরিবেশ তোকে দূরে
থাকুন। ধুলাবালি ধোয়া সিগারেটের ধোঁয়া ও ঠান্ডা বাতাস গলার চালা বারে দিতে
পারে। ঘরের বাতাস করছিস তাহলে আদ্রতা বজায় রাখার চেষ্টা করবেন। রাতে কাশি বেশি
হলে মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ দিয়ে কিছুটা উঁচু করে সুলে আরাম দিতে পারে। বিশেষ
করে সর্দি বা অ্যাসিড রিফ্লেক্সেসর কারণে কাশি হলে।
কিন্তু ঘরোয়া উপায়ে কাশি কমানোর চেষ্টা করেও যদি সমস্যা দীর্ঘদিন, বারবার ফিরে
আসে বাসে ত সঙ্গে শ্বাসকষ্ট প্রত্যাশা উচ্চচর কিংবা রক্ত দেখা যায় তাহলে বিষয়টি
অবহেলা করা উচিত হবে না কারণ সাধারণ সর্দি কাজে পাশাপাশি এলার্জি হাঁপানি শ্বাস
নামে সংক্রমণ বা এসিড রিফ্লাক্স এর মত কারণ ও অতিরিক্ত কাশি হতে পারে। ব্যবস্থা
নেওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শুকনো কাশি কিসের লক্ষণ
শুকনো কাছে হলে সাধারণত কফ বের হয় না। বরং গলায় খুসখুস চুলকানি বা কিছু আটকে
থাকার মত অনুভূতি হয়। সর্দি জ্বর বা ভাইরাসের সংক্রমণ সেরে যাওয়ার পরও কিছুদিন
এই কাশি থাকতে পারে। এছাড়া ধুলাবালি ধোয়া এলার্জি ঠান্ডা বাতাস হাঁপানি এবং
এসিড রিপ্লাক্স শুষ্ক খাসির অর্জিত কারণ। বিশেষ করে রাতে শোয়ার পর বা সকালে ঘুম
থেকে ওঠার সময় কাশি বেড়ে গেলে এর কারণটি খেয়াল করা গুরুত্বপূর্ণ।
শুকনো কাশি সব সময় গুরুতর রোগের লক্ষণ না। কিন্তু কতদিন ধরে আছে এবং কোন সময়
বেশি হচ্ছে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধুলাবালি বা নির্দিষ্ট পরিবেশে গেলেই কাশি
শুরু হলে এলার্জির সম্ভাবনা থাকতে পারে। আবার খাবার খাওয়ার পর বা শুয়ে পড়লে
কাশি বাড়ার সঙ্গে মুখ জ্বালা বা টক ঢেকুর থাকলে এসিড রিফ্লাক্স এর সম্পর্ক থাকতে
পারে। তাই শুধু কাশি বন্ধ করার ওষুধ না খেয়ে কাশির সাধারণ ও সঙ্গে থাকা উপসর্গের
দিকে নজর দেওয়া ভালো।
কাশির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বুক ব্যাথা উচ্ছে জ্বর শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বাভাবিক শব্দ
কাশির সঙ্গে রক্ত অথবা দ্রুত শারীরিক অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে
হবে। আর শুকনো কাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকলে এর পেছনে এলার্জি হাঁপানি রিফ্লাক্স বা
অন্য কোন কারণ আছে কিনা তা চিকিৎসকের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। সঠিক কারণ জানা
গেলে কাশির উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব।
শুকনো কাশি থেকে মুক্তির ঔষধ
শুকনো কাশি থেকে মুক্তির ওষুধ। শুকনো কাশির জন্য সবার ক্ষেত্রে একই ওষুধ কার্যকর
হয় না। কারণ কাশির কারণ ভেদে চিকিৎসা ও আলাদা হতে পারে। সাধারণ সর্দি জ্বরের পর
হওয়া কাশি অনেক সময় ধীরে ধীরে নিজে থেকেই কমে যায়। এ সময় পর্যন্ত পানি পান,
কুসুম গরম তরল পাল এবং গলা আর্দ্র রাখা আরাম দিতে পারে।
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়, খুব বিরক্ত কর হলে চিকিৎসক বা ফার্মেসির
পরামর্শে কাশি কমানোর ( cough suppressant ) ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু কোন
ওষুধ কতদূর এবং কতদিন ব্যবহার করবেন তা বয়স কাশির কারণ অন্য ওষুধ এবং শারীরিক
অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই নিজের ইচ্ছাই অ্যান্টিবায়োটিক বা একাধিক কাশির
সিরাপ একসঙ্গে খাওয়া উচিত না। বিশেষ করে শিশু গর্ভবতী ব্যক্তি বা দীর্ঘমেয়াদি
রোগে সংক্রান্তদের ওষুধ নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিবেন।
যদি শুকনো কাশি দীর্ঘদিন ধরে থাকে রাতে নিয়মিত বাড়ে শ্বাসকষ্ট বা বুক ব্যথার
সঙ্গে হয় কিংবা কাশির সঙ্গে রক্ত আছে তাহলে শুধু খাসির ওষুধ খেয়ে অপেক্ষা না
করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরী। কারণ এলার্জি হাঁপানি এসিড রিফ্লাক্স বা অন্য
কোন সমস্যার কারণে কাজী হলে মূল কারনে চিকিৎসা করলেই বেশি উপকার পাওয়া
যাবে।
বুকে কফ জমলে কি কি সমস্যা হয়
বুকে কফ জমলে কি কি সমস্যা হয়, বুকে কফ জমলে প্রথমে মনে করতে পারেন এটি শুধু
সাধারণ সর্দি-কাশির সমস্যা, কিন্তু কফ বেশি জমলে শ্বাসনালীতে সমস্যা তৈরি করতে
পারে। তখন বারবার কাশি বুকে ভারি লাগা গলাবা বুকের ভেতর কপা আটকে থাকার অনুভূতি
এবং শ্বাস নেওয়ার সময় ঘরঘর বা ছাই ছাই শব্দ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে রাত্রে
কাশি বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘুমো ঠিকমতো হয় না।
তোমার সঙ্গে যদি নাক বন্ধ গলা ব্যথা জ্বর বা শরীর দুর্বল লাগার মত উপসর্গ থাকে
তাহলে সর্দি বা শ্বাসনালীর সংক্রমণের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। আবার এলার্জি
হাঁপানি বা ধূমপানের কারণেও বারবার বুকে কফ ও কাশি হয়। তাই শুধু কফের পরিমাণ না
কতদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে এবং সঙ্গে কি কি উপসর্গ দেখা দেয় সে দিকটা নজর দেওয়া
প্রয়োজন।
বুকে কফের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বুক ব্যথা বেশি জ্বর শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হওয়া ঠোঁট
নিল হয়ে যাওয়া বা কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না। এমন
পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে কফ জমে
থাকলে এর কারণ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া নিরাপদ।
ঘন ঘন কফ আসার কারণ কি
ঘন ঘন কফ আসার কারণ কি, ঘন ঘন কোপা আসা অনেক সময় শরীরের শ্বাসনালীতে জমে থাকা
ধুলাবালি জীবাণু বা অতিরিক্ত প্লেশমা বের করে দেওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।
সর্দি জ্বর ঠান্ডা লাগা বা শ্বসনালীর সংক্রমণের পর কিছুদিন ক বেশি হতে পারে।
এছাড়া ধুলাবালি ও এলার্জি ধূমপান বায়ু দূষণ হাঁপানি সাইনাসের সমস্যা এবং নাকের
প্লেস মা গলার পেছনে নামা এসব কারণেও বারবার কফ আসতে পারে।
কফের ধরন ও সঙ্গে থাকা উপসর্গ থেকেও কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। যেমন নাক বন্ধ বা
হাঁচি সঙ্গে কফ হলে এলার্জি বা সাইনাসের সমস্যা থাকতে পারে। আবার শ্বাসকষ্ট
বুকচাপ লাগা বা শ্বাসের সময় ছাই ছাই শব্দ থাকলে হাঁপানি বা অন্য শ্বাসনালীর
সমস্যার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়। ধূমপান করলে দীর্ঘদিনের পর দেখা দিতে
পারে।
তবে কফ কয় সপ্তাহ ধরে না কমলে বারবার ফিরে এলে কফের সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে বুক
ব্যথা উঠছো জ্বর বা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন শুধু বন্ধ করার চেষ্টা
না করে এর মূল কারণ খুঁজে বের করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করলে
ঘন ঘন কফ আসার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বুকের কফ বের করার ঘরোয়া উপায়
বুকের কফ বের করার ঘরোয়া উপায়। বুকে কফ জমে অস্বস্তি হলে প্রথমে প্রদত্ত কুসুম
গরম পানি ও অন্যান্য তরল পান করবেন। এতে শরীর পানি শূন্য হওয়া থেকে রক্ষা পায়
এবং ঘন স্লেশ মা কিছুটা পাতলা হয়ে সহজে বের হতে সাহায্য করে। গরম পানির ভাবও
সাময়িকভাবে নাক ও শ্বাসনলির বন্ধু ভাব কমিয়ে আরাম দেয়। কিন্তু খুব গরম ভাব
নেওয়ার সময় সতর্ক থাকবেন বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে পোড়ার ঝুঁকি থাকে।
খুব সহজে বের করতে সারাদিন বিছানায় শুয়ে না থেকে হালকা হাঁটাচলা করতে পারেন যদি
শরীর টা সহ্য করে। ঘুমানোর সময় মাথা সামান্য উঁচু করে রাখলে কফ ও নাকের স্লেশ
মার কারণে রাতে বেশি বা কলা পরিষ্কার করার প্রবণতা কমতে পারে। পাশাপাশি সিগারেটের
ধোঁয়া ধুলাবালি ও তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলবেন কারণ এগুলো শেষনালীতে চালা বাড়িয়ে
কফ ও কাশি আরো বাড়াতে পারে।
কফের সঙ্গে সর্দি বা গলার খুসখুসে থাকলে পর্যাপ্ত বয়স্কদের জন্য মধু কিছুটা আরাম
দেয় কিন্তু এক বছরের কম শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না। আর কফ জমে থাকার কারণে
শ্বাসকষ্ট বুক ব্যথা উচ্চ জ্বর কাশির সঙ্গে রক্ত অথবা অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে
শুধু ঘরোয়া উপায় এর উপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নয় সবচেয়ে
ভালো।
কাশি ও কফ দূর করার ওষুধ
কাশি ও কফ দূর করার ওষুধ, কাশি ও কফের জন্য কোন ওষুধ ভালো হবে তা কাশির ধরন ও
কারণ এর ওপর নির্ভর করে। কত সহ কাশিতে কিছু ক্ষেত্রে (guaifenesin-এর মত
expectorant পাতলা করে সহজে বের হতে সাহায্য করে। আবার শুকনো কাশিতে বিভিন্ন
ধরনের cough suppressant, ব্যবহার করতে পারেন। তাই একই ওষুধ সব ধরনের কাশির জন্য
উপযুক্ত না।
ওষুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি বা কুসুম গরম তরল পান করলে ঘন কফ কিছুটা পাতলা হতে
পারে। ধুলাবালি ধোয়া সিগারেটের ধোঁয়া এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ইচ্ছাই
এন্টিবেটিক খাওয়া যাবেনা কারণ বেশিরভাগ সাধারণ সর্দি-কাশি ভাইরাস জনিত এবং সে
ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক উপকার করে না। বিশেষ করে শিশুদের কাশির ওষুধ দেওয়ার আগে
চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ ঘুম কম হওয়ার কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
কাছে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বুক ব্যথা উস্তাদর কাশির সঙ্গে রক্ত অথবা দীর্ঘদিন ধরে
সমস্যা চলতে থাকলে শুধু সিরাতকে না থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। কারণ সংক্রমণ
হাঁপানি এলার্জি বা অন্য সস্তাতন্ত্রেরর সমস্যার চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে।
শেষ কথা: খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়। খুশখুসে কাশি ছোটখাটো সমস্যা মনে হলেও
এটি দীর্ঘ হলে ঘুম কাজকর্ম ও দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন বেশ বিরক্তকর করে তুলে। তাই
পর্যন্ত পানি পান গলা আদ্রতা রাখা ধুলাবালি ধোঁয়া এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত
বিশ্রাম নেওয়ার মতো সহজ অভ্যাসগুলো মেনে চললে কাশি কমানো সম্ভব। কাশি কমানোর
ওষুধও কারণ বুঝে ব্যবহার করা উচিত নিজের ইচ্ছায় এনটিভিটিভ বা অন্য কোন ওষুধ
খাওয়া যাবে না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাশি কতদিন ধরে হচ্ছে এবং এর সঙ্গে অন্য কোন উপসর্গ আছে
কিনা সেদিকে নজর রাখবেন। কাশি দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে বা শ্বাসকষ্ট বুকর ব্যথা
উত্তর জ্বর কিবা কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। সঠিক
কারণ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিলেই খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি থেকে নিরাপদে মুক্তি
পাওয়া সম্ভবনা রয়েছে।
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায় আশা করি জেনে গেছেন। উপরে দেওয়া
নিয়মাবলী গুলো মেনে চললে দীর্ঘদিনের কাশি থেকে মুক্তি পাবেন। এ বিষয়ে কোন কিছু
জানার থাকলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আশা করি আপনার এই পোষ্ট ভালো লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনি আপনার
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। এরকম আরো নতুন নতুন কার্যকর পোস্ট দেখার জন্য উপকারী
আইটির সাথে যুক্ত থাকবেন। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমার এই পোস্ট পড়ার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



উপকারী আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url